মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিচার: কী ঘটছে?
বন্ধু, তুমি কি জানো, মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিচার এখন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে? গত বছরের জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচার শুরু হলো। এই মামলার সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে।
কেন এই বিচার?
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় যেসব ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছিল, তার এক বছরের মাথায় এই মামলার বিচার শুরু হলো। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় এবং তদন্ত সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দাখিল করে।
- শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান পলাতক
- চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন গ্রেপ্তার ও দোষ স্বীকার করেছেন
- বিচারকাজের কিছু অংশ বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার
আরও জানতে পড়ুন: বাংলাদেশের আলোচিত মামলার খবর
বিচার প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য: কী বললেন প্রথম সাক্ষী?
প্রথম সাক্ষী খোকন চন্দ্র বর্মণ তাঁর জবানবন্দিতে বলেন, আন্দোলনের সময় তিনি পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন। তাঁর মুখ, চোখ ও নাক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং চিকিৎসার জন্য তাঁকে রাশিয়া পাঠানো হয়। তিনি শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খানসহ পাঁচজনকে দায়ী করেন।
বিচারক ও প্রসিকিউশনের বক্তব্য
অ্যাটর্নি জেনারেল ও চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই মামলার মাধ্যমে ইতিহাসের নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার হচ্ছে। তাঁরা সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করতে সাহস না পায়।
আরও বিশদ জানতে দেখুন: Crimes Against Humanity – Wikipedia
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরও মামলা
- চারটি মামলায় অভিযুক্ত শেখ হাসিনা
- একটি মামলায় ছয় মাসের কারাদণ্ড
- গুম-খুন ও নির্যাতনের অভিযোগে আরও মামলা চলমান
আপনার মতামত কী?
এই বিচার নিয়ে তোমার কী ভাবনা? ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে বলে মনে করো? নিচে কমেন্টে জানাও!
বাংলাদেশ নিউজ২৪ এর মতামত: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তোমার মতামত আমাদের জানাও—তোমার মন্তব্য আমাদের জন্য মূল্যবান!
মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিচার শুরু হয়েছে। জানুন মামলার সর্বশেষ আপডেট, সাক্ষ্য, ও আইনি প্রক্রিয়া—সবকিছু একসাথে।


