Police Raid and Financial Crime Illustration

রিয়াদের বাসা থেকে আড়াই কোটির চেক ও এফডিআর উদ্ধার: আলোচিত চাঁদাবাজি মামলার নতুন মোড়

সবাইকে স্বাগতম বাংলাদেশ নিউজ২৪ এ

আজকের আলোচনায় রয়েছে সাম্প্রতিক আলোচিত চাঁদাবাজি মামলার নতুন মোড়—বৈষ্যম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ চেক ও এফডিআর উদ্ধারের ঘটনা। চলুন, বিস্তারিত শুনে নিই এই ঘটনাপ্রবাহের পডকাস্ট-স্টাইল বিশ্লেষণ।

রিয়াদের বাসায় পুলিশের অভিযান: কী পাওয়া গেল?

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর তার ফেসবুক পোস্টে জানান, গুলশানে চাঁদাবাজির ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া রিয়াদের নাখালপাড়ার বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে উদ্ধার হয় দুই কোটি ২৫ লাখ টাকার একটি চেক এবং প্রায় ২০ লাখ টাকার এফডিআর। চেকটি আগামী মাসের ২ তারিখে ক্যাশ হওয়ার কথা ছিল।

এছাড়া, পুলিশ রিয়াদের ঘর থেকে অন্তত ১০টি এফডিআরের কাগজ পেয়েছে, যেগুলোর প্রতিটিতে সর্বনিম্ন দুই লাখ টাকা করে রাখা আছে। এসব তথ্যের সত্যতা পুলিশের সমর্থিত সূত্র নিশ্চিত করেছে, যদিও এখনো কোনো অফিশিয়াল বক্তব্য আসেনি।

ব্যাংক লেনদেন ও চুক্তির পেছনের গল্প

জাওয়াদ নির্ঝর আরও জানান, গুলশানে আওয়ামীপন্থী এক ব্যবসায়ীর জমি উদ্ধারে রিয়াদের সঙ্গে ৫ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তির অংশ হিসেবেই দুই কোটি ২৫ লাখ টাকার চেকটি রিয়াদের ঘরে পাওয়া গেছে।

এছাড়া, গত কয়েক মাসে রিয়াদের একটি বেসরকারি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৬০-৭০ লাখ টাকার লেনদেনের প্রমাণও পেয়েছে পুলিশ। এসব আর্থিক লেনদেন ও চুক্তি নিয়ে এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠছে—রিয়াদ আসলে কীভাবে এত অর্থের মালিক হলেন এবং এসব টাকার উৎস কী?

চাঁদাবাজি মামলার পটভূমি ও তদন্তের অগ্রগতি

রিয়াদ পরিচয় দিতেন বৈষ্যম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা ও সমন্বয়ক হিসেবে। কিন্তু গুলশানে চাঁদাবাজির অভিযোগে তার গ্রেপ্তার এবং বাসা থেকে বিপুল অর্থ উদ্ধারের ঘটনায় পুরো বিষয়টি নতুন আলোচনায় এসেছে। পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি, তবে তদন্ত চলছে এবং আরও তথ্য বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

সমাজে প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ প্রশ্ন

এই ঘটনা শুধু রিয়াদ নয়, বরং সমাজে আর্থিক অপরাধ, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক পরিচয়ের অপব্যবহার নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। সাধারণ মানুষ জানতে চায়—এত বড় অঙ্কের টাকা কোথা থেকে এলো, কারা জড়িত, এবং আইনের শাসন কতটা কার্যকর?

উপসংহার: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দাবি

রিয়াদের বাসা থেকে বিপুল অর্থ উদ্ধারের ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সমাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কতটা জরুরি। তদন্তের অগ্রগতি ও পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছে সবাই।

বাংলাদেশ নিউজ২৪ এর মতামত: আপনি কি মনে করেন, এ ধরনের আর্থিক অপরাধের তদন্তে আরও স্বচ্ছতা ও কঠোরতা প্রয়োজন? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

Police recover Tk 2.25 crore cheque and FDRs from anti-discrimination activist Riyad’s home, revealing major financial dealings amid extortion allegations.

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top